আরও দেখুন
বুধবার GBP/USD পেয়ারের মূল্য কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছে ব্যর্থ হয়েছে। প্রথমে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য সামান্য উর্ধ্বমুখী হয়, পরে এটির মূল্য একটু কমে যায়, এবং ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এটি স্পষ্ট যে এই পেয়ারের মূল্য প্রায় এক মাস ধরে সাইডওয়েজ চ্যানেলে অবস্থান করছে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেলেও তা ট্রেডারদের প্রভাবিত করতে পারেনি, কারণ সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে অন্তত দশবার যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করা হয়েছে। প্রতিবারই তেহরান ও ওয়াশিংটন শান্তভাবে আলোচনায় ফিরে গেছে, এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার ইরানের সঙ্গে শীঘ্রই একটি "দুর্দান্ত চুক্তি" করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ফলস্বরূপ, ট্রেডাররা এখন আর কোনো কিছুর প্রতি আস্থা রাখতে পারছে না—না পুনরায় যুদ্ধ শুরুর, না শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের, না হরমুজ প্রণালী খোলার, না তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরের সদিচ্ছার প্রতি। ট্রাম্প ইরান যুদ্ধে হেরে যাচ্ছেন, কারণ তার কোনো লক্ষ্যই অর্জিত হয়নি। এই সংঘাত যত বেশিদিন স্থায়ী হবে, ট্রাম্পের একচ্ছত্র ক্ষমতা ধরে রাখার সম্ভাবনা ততই কমবে। মার্কিন কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনও আসন্ন...
বুধবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে দুইটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়। পুরো ইউরোপীয় সেশনের সময় এই পেয়ারের মূল্য 1.3380-1.3386 এরিয়া থেকে বাউন্সের চেষ্টা করেছে, এবং রাতের দিকে মূল্য বিপরীত দিকে ওই এরিয়া অতিক্রম করেছে। উভয় ক্ষেত্রে স্বল্প মাত্রার অস্থিরতার কারণে আমরা কাঙ্ক্ষিত দিকে কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট দেখতে পাইনি।
ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে, কারণ ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির ধারাবাহিকভাবে অবনতি ঘটছে এবং এই পেয়ারের মূল্য অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে নিম্নমুখী হয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে পুনরায় পূর্ণমাত্রার সংঘাত শুরু না হলে মার্কিন ডলারের দর ফেব্রুয়ারি ও মার্চের মতো বৃদ্ধি পাওয়ার প্রত্যাশা করা কঠিন। পৃথক ঘটনার ভিত্তিতে এখনও মার্কিন ডলারের দর কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে (যেমনটি শুক্রবার দেখা গিয়েছিল), তবে আমরা মনে করি না যে মার্কেটে নতুন করে ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা সৃষ্টি হবে। ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় মার্কিন ডলারই একটি ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3380-1.3386 এরিয়া থেকে বাউন্স করে তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3319-1.3331 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3380-1.3386 এরিয়ার ওপরে কনসলিডেট করে তাহলে লং পজিশন বিবেচনা করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.3456 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।
৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3175-1.3180, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3380-1.3386, 1.3456-1.3476, 1.3587-1.3598, 1.3631-1.3641, 1.3695, 1.3741-1.3751। বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না, আর যুক্তরাষ্ট্রে শুধুমাত্র উৎপাদক মূল্য সূচক প্রকাশিত হবে—যা গতকাল মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার প্রেক্ষিতে ট্রেডারদের বিশেষ মনোযোগ আকর্ষণ করার সম্ভাবনা কম।
নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।
ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।